• Kishoregonj Probashi Uddokta Foundation

Nitimala

ভূমিকাঃ জীবিকা নির্বাহ এবং স্বচ্ছল পরিবার গঠনের তাগিদে একটা স্বপ্ন নিয়ে মানুষ প্রবাসী হয়। জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় এবং
শ্রম বিনিয়োগ করে আয় করে বৈদেশিক মুদ্রা। যার ফলশ্রæতিতে পরিবার হয় আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এবং দেশ হয় অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ।
একজন প্রবাসী স্বাবলম্বী হয়ে দেশে ফিরতে ফিরতে অনেক সময় গড়িয়ে যায়। দেশে ফিরে এসে, পাওয়া না পাওয়ার হিসেব করতে গিয়ে
হোঁচট খায় বেশীর ভাগ প্রবাসীদের দেশে এসে প্রবঞ্চ এবং প্রতারণার শিকার হন। ফলে বাধ্য হয়েই সে যুগের পর যুগ প্রবাসে কাটিয়ে দেয়।
“চলবো মোরা একসাথে, জয় করবো দারিদ্রতাকে” আমাদের কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রবাসী এবং
প্রবাস ফেরত পরিষদের যে কোন প্রয়োজনে তথা জীবন-জীবিকা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সামাজিক অর্থনৈতিক এবং আইন-গত সকল বিষয়ে
সহযোগীতা করা।
এই “কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন” তাদের স্বতন্ত্র স্বত্ত¡া কে সমাজে তুলে ধরে তাদের ন্যায্য পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে
সরকারের কাছে নিয়মতান্ত্রিক এবং আইনানুগ নিবেদনের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে অঙ্গীকার বদ্ধ।
প্রবাস এবং প্রবাস ফেরত পরিবারের প্রতি উক্ত প্রতিশ্রæতিশীল বক্তব্য কে সমানে রেখেই সৃষ্টি হয়েছে আমাদের প্রাণ প্রিয় সংগঠন
“কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন”।
প্রবাসী এবং প্রবাস ফেরত চোখ এবং চোখের পাতা’র মতে। দু-জনের যাপিত জীবন প্রায় একই সুতোয় গাঁথা। উভয়েই পৃথিবীর উন্নত
দেশ গুলোর সামাজিক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সর্বোপরি সব বিষয়ে ভাল দিকগুলো সম্মন্ধে অবহিত এবং অভিজ্ঞ।
সামাজিক দায়বদ্ধতা আদায়ের পক্ষে আমরা আমাদের স্বীয় অভিজ্ঞতার আলোকে সুষ্ঠ সামাজিক ব্যবস্থাপনা সমৃদ্ধ স্বনির্ভর সমাজ
গঠনের প্রত্যয়ে প্রবাসী এবং প্রবাসী ফেরতগণ যৌথভাবে কাজ করবে।

ধারা ১ : সংগঠনের নাম

এই সংগঠনের নাম “কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন”
যা কিশোরগঞ্জ জেলার প্রবাসীদের নিয়ে গঠিত।

ধারা ২ : প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা

প্রতিষ্ঠাতা হাজী মোঃ আনোয়ার হুসাইন, করিমগঞ্জ।“কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন”২০২৩ ইং সালে 
বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার প্রবাসীদের 
কে নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার নাম অনুসারে কিশোরগঞ্জ প্রবাসী 
উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

ধারা ৩ : শ্লোগান ও মনোগ্রাম

শ্লোগান চলবো মোরা একসাথে জয় করবো দারিদ্রতাকে। যার 
একটি নিজস্ব মনোগ্রাম থাকবে এই মনোগ্রাম কখনও 
পরিবর্তন করা যাবেনা।

ধারা ৪ : লক্ষ্য

কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক,
অরাজনৈতিক ও বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে কাজ 
করবে।

ধারা ৫ : উদ্দেশ্য

কিশোরগঞ্জ জেলার সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আর্থ-সামাজিক অবস্থার 
কাঙ্খিত পরিবর্তন সাধনের জন্য স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের মাধ্যমে 
কিশোরগঞ্জ জেলাকে আত্মনির্ভরশীল, সুখী, সমৃদ্ধশালী, 
অবক্ষয়মুক্ত ভাবে প্রতিষ্ঠা করা। বিশেষ করে জেলার অসহায় 
ও বিপদগ্রস্থ এবং হত-দরিদ্র ও কর্মহীন নারী-পুুেষদের 
কর্মসংস্থানে সার্বিক সহযোগিতা করা।

ধারা ০৬ : সংস্থার ধরণ

১। কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন সম্পূর্ণ স্বাধীন, সামাজিক, 
স্বেচ্ছসেবী, সাংস্কৃতিক ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব সম্পন্ন সংগঠন। এই 
সংগঠন অন্য কোন সংগঠনের অঙ্গ-সংগঠন হিসেবে কাজ করবে না বরং 
ভবিষ্যতে বিভিন্ন উপজেলায় আমাদের শাখা সংগঠন করা হবে এবং 
এর নেতৃত্ব পরিচালনা করা হবে।


২। কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈিতক সংগঠন। অত্র সংগঠনের কোন সদস্য রাজনীতির সাথে জরিত 
থাকলে এটা তার ব্যক্তিগত কাজ। এখানে সংগঠন কোনভাবে হস্তক্ষেপ 
করতে পারবে না। কিন্তু এই সংগঠনের কোন সদস্য যদি সংগঠনের 
বিভিন্ন কর্মকান্ডেকে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত করেন বা করার চেষ্টা 
করেন তবে তাকে কার্যনির্বাহী পরিষদ বহিষ্কারের ক্ষমতা রাখে।

ধারা ০৭ : সংগঠনের কার্যালয়

কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন এর একটি কার্যালয় বর্তমানে 
অস্থায়ী করা হয়েছে। ঠিকানা : হাজী মার্কেট, করিমগঞ্জ বাজার, 
কিশোরগঞ্জ।
ভবিষ্যতে সংগঠনের আর্থিক সঙ্গতি বৃদ্ধি সাপেক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলার যে কোন সুবিধাজনক স্থানে নিজস্ব অথবা ভাড়া করা স্থানে
সংগঠনের কার্যালয় স্থাপন করা হবে।

ধারা ০৮ : সদস্য হওয়ার শর্তাবলী

সদস্য হওয়ার যোগ্যতা ও নিয়মাবলী ঃ
ক) কিশোরগঞ্জ জেলা নিবাসী ১৮ হতে ৬৫ বৎসর এর কর্মক্ষম যেকোন 
পুরুষ/মহিলা যিনি চাকুরীর উদ্দেশ্যে বা জীবিকা নির্বাহের জন্যে
প্রবাসে আছেন, কিংবা কমপক্ষে ০৬ মাস ছিলেন এবং বর্তমানে দেশে 
আছেন, তিনি অত্র সংগঠনের সদস্য পদ লাভ করতে পারবেন।
খ) ভদ্র, রুচিশীল, উদ্যোগী, সদাচারী ও মননশীল হতে হবে। 
গ) কিশোরগঞ্জ প্রবাসী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন 
ফরমের মাধ্যমে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বরাবার আবেদন
করতে হবে।
ঘ) সংগঠনের সমস্ত আইন-কানুন, ও বিধি নিষেধের প্রতি আস্থা ও সেই 
মোতাবেক কাজ করার জন্য শপথ পত্রে স্বাক্ষর প্রতার করতে হবে।
ঙ) সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত ভর্তি ফি, মাসিক চাঁদা প্রদান করতে হবে।